প্রথম Computer Bug ছিল সত্যিকারের পোকা! কম্পিউটারের ইতিহাসের মজার ঘটনা
কম্পিউটারে কোনো সমস্যা হলে আমরা বলি, “Bug হয়েছে!” কিন্তু এই শব্দটির সঙ্গে একদিন সত্যিকারের একটি পোকা জড়িয়ে পড়েছিল। ১৯৪৭ সালে একটি কম্পিউটারের ভেতরে আটকে থাকা মথ বা পতঙ্গকে সরিয়ে রাখার ঘটনাটি আজও প্রযুক্তির ইতিহাসে আলোচিত। তবে “bug” শব্দটি কম্পিউটারের ত্রুটির জন্য তখনই প্রথম ব্যবহার হয়েছিল—এমন দাবি ঠিক নয়।
কম্পিউটারের ভেতরে কী পাওয়া গিয়েছিল?
১৯৪৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের Mark II কম্পিউটারে কাজ করার সময় প্রযুক্তিবিদেরা একটি সমস্যা খুঁজছিলেন। পরীক্ষার সময় যন্ত্রটির একটি রিলেতে আটকে থাকা মথ (moth) পাওয়া যায়। সেটিকে সরিয়ে লগবুকে সংরক্ষণ করা হয়। ঘটনাটি কম্পিউটারের ত্রুটিকে “bug” বলা নিয়ে বহুল পরিচিত গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে যায়।
তাহলে “computer bug” কথাটি কি সেখান থেকেই শুরু?
পুরোপুরি নয়। যন্ত্রের ত্রুটি বোঝাতে “bug” শব্দটি এর আগেও ব্যবহৃত হতো। ১৯৪৭ সালের ঘটনাটি শব্দটির জন্ম দেয়নি; বরং কম্পিউটারের সমস্যার সঙ্গে একটি আসল পোকা পাওয়ার কারণে ঘটনাটি বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
ঘটনাটি কেন এত বিখ্যাত?
- কম্পিউটারের সমস্যার সঙ্গে সত্যিকারের একটি পোকা পাওয়া গিয়েছিল।
- মথটি লগবুকে সংরক্ষণ করা হয়েছিল, ফলে ঘটনাটি প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি স্মরণীয় উপাখ্যান হয়ে ওঠে।
- আজও সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যারের ত্রুটিকে “bug” বলা হয়, আর ত্রুটি খোঁজার কাজকে বলা হয় “debugging”।
ছোট্ট একটি ঐতিহাসিক সতর্কতা
এই ঘটনাকে প্রায়ই “বিশ্বের প্রথম computer bug” বলা হয়। কিন্তু আরও নির্ভুলভাবে বললে, এটি কম্পিউটারের ভেতরে সত্যিকারের পোকা পাওয়ার একটি বিখ্যাত ঘটনা—“bug” শব্দটির একেবারে প্রথম ব্যবহার নয়।
উপসংহার
কম্পিউটারের “bug” নিয়ে গল্পটি মজার, কারণ এখানে প্রযুক্তিগত ত্রুটি আর সত্যিকারের পোকা একই ঘটনায় মিলেছে। তবে ইতিহাসের দিক থেকে মনে রাখা জরুরি—মথটি শব্দটির জন্ম দেয়নি, বরং শব্দটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সবচেয়ে পরিচিত গল্পগুলোর একটি তৈরি করেছে।
________

