HomeহুগলীHooghly News: ভূতুরে গোডাউন

Hooghly News: ভূতুরে গোডাউন

গোপন খবর পেল ধীরাজপুর থানার পুলিশ।

কৃষ্ণপুরা নামের একটা গ্রাম আছে, আর তার কাছেই এক বিরাট পুরনো গোডাউন। গ্রামে লোকে বলে, ওখানে নাকি রাতে ভূত নাচে, তাই কেউ কাছে যায় না। কিন্তু গ্রামের ছেলেপুলেরা টের পেয়েছিল—ভূত নয়, সেখানে অন্য কিছু চলছে।

একদিন ভোরবেলা, গোপন খবর পেল ধীরাজপুর থানার পুলিশ। খবরটা এমন—
“মশলার বস্তা নয়, ওই গোডাউনে লুকিয়ে আছে সরকারি রেশনের চাল, আটা আর ময়দার পাহাড়! আর আজ রাতেই সব এক ট্রাকে ভরে নিয়ে যাবে বাইরে।”

পুলিশ যখন হানা দিল, তখনও ভেতরে চলছে কাজের তোরজোর। ট্রাকের চালক, আর দুইজন অদ্ভুত লোক বস্তা গুনছে। হঠাৎ ঝাঁকির আওয়াজ—
“থামো! ধীরাজপুর থানার পুলিশ!”

দেখে সবাই তো থ! তিনজন ধরা পড়ল, কিন্তু ততক্ষণে পুলিশদের চোখ কপালে—
গোডাউনে ৬০০ বস্তা চাল, ৫০ বস্তা আটা আর ১০০ বস্তা ময়দা!

সবাই অবাক। চালক কাকুতি মিনতি করছে,
“বাবু, আমি তো জানতাম না এগুলো রেশনের মাল!”

এসডিপি প্রবীর সেন এলেন নিজে সাংবাদিকদের নিয়ে। প্রেস মিটিংয়ে দাঁড়িয়ে বললেন,
“আমরা তদন্ত করছি—এই মাল কোথা থেকে আনা হতো আর কোথায় বিক্রি হত।”

গ্রামে গ্রামে আলোচনা শুরু হয়ে গেল—
“তাহলে কি গত দু’বছর ধরে এই কাজ চলছিল? এত লোক জানল না?”
“তা হলে বাজারে যে চালের দাম হঠাৎ বেড়ে যাচ্ছিল—ওটাই কি?”

লোকজন অবাক, কেউ ফিসফিস করে বলছে,
“আচ্ছা, ওই ভূতের গল্পটা না হয় ঢাকবার জন্যই বানানো হয়েছিল?”

কৃষ্ণপুরার গোডাউনের রহস্য এখন পুলিশের হাতে, আর গ্রামের আড্ডায় শুধু একটাই প্রশ্ন ঘুরছে—
“এর পেছনে আর কারা আছে?”

এভাবেই এক সন্দেহজনক গল্প ছড়িয়ে পড়ল সবার মুখে মুখে।

বিঃদ্রঃ – গল্পের চরিত্রের সাথে বাস্তবের চরিত্রের আর স্থানের কোনো মিল নাই। শুধুমাত্র কাহিনীর অবলম্বনে লেখা।

|| সমাপ্ত  ||

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন